ফিফা প্রেসিডেন্ট ইনফান্তিনোর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা, ফিগোর তোপ
ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো কি আগামী নির্বাচনে পদে থাকতে পারবেন, তা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে গভীর অনিশ্চয়তা। একের পর এক বিতর্কের কারণে ফুটবল বিশ্বের বেশিরভাগ
ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো কি আগামী নির্বাচনে পদে থাকতে পারবেন, তা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে গভীর অনিশ্চয়তা। একের পর এক বিতর্কের কারণে ফুটবল বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের সমর্থন হারাচ্ছেন তিনি। আগামী ১৭ মার্চ মরক্কোয় অনুষ্ঠিত হবে ফিফা কংগ্রেস, যেখানে ইনফান্তিনোর অপসারণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। ফুটবলের কিংবদন্তি লুই ফিগো ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেছেন, 'ফুটবল বিশ্বের অন্যান্যদের মতো আমি ইনফান্তিনোর অপসারণ দাবি করছি। তিনি মিথ্যে কথা বলেছেন এবং মানুষকে বিভ্রান্ত করেছেন।'
এর আগে, জর্ডন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রিন্স আলি বিন হুসেইন ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছিলেন। তিনি দাবি করেছেন যে, ফিফা সভাপতি বিভিন্ন দেশের ফুটবল সংস্থার প্রাপ্য প্রাইজমানি আটকে রেখে চাপ সৃষ্টি করেছেন এবং ভোটে জিততে ব্ল্যাকমেল করেছেন। প্রিন্স আলি এই অভিযোগের মাধ্যমে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে আরও একটি অভিযোগ তুলেছেন, যা হলো সভাপতির পদ আঁকড়ে রাখার চেষ্টা।
ফিগো আরও বলেন, 'ফুটবলের সেবা করার জন্য ইনফান্তিনোকে নিয়ে আসা হয়েছিল, কিন্তু তিনি নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য ফুটবলের ক্ষতি করছেন।' মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও reportedly ইনফান্তিনোকে সমর্থন করছেন না।
২০১৬ সালে ফিফার সভাপতি নির্বাচনে ইনফান্তিনো ২১১ সদস্য দেশের মধ্যে ২০০টির সমর্থন পেয়েছিলেন, কিন্তু এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। ইউরোপের ফুটবল সংস্থা উয়েফা (৫৫ দেশ), এশিয়ান ফুটবল সংস্থা এএফসি (৪৬ দেশ) এবং কনকাকাফ (৩৫ দেশ) সহ তিন মহাদেশীয় সংস্থার সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা কম। যদি ১৩৬টি সদস্য দেশের ভোট ইনফান্তিনোর বিপক্ষে যায়, তাহলে তাঁর চতুর্থবার সভাপতি হওয়ার পথ কঠিন হয়ে উঠবে।



















