বিদেশি অনুদান ও আসন পুনর্বিন্যাস বিল নিয়ে কেন্দ্রের কৌশলগত দোলাচল
মোদি সরকার বর্তমানে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করানোর প্রচেষ্টায় রয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো ফরেন কন্ট্রিবিউশন রেগুলেশন সংশোধনী বিল ২০২৬ এবং অন্যটি আসন পুনর্বিন্য
মোদি সরকার বর্তমানে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করানোর প্রচেষ্টায় রয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো ফরেন কন্ট্রিবিউশন রেগুলেশন সংশোধনী বিল ২০২৬ এবং অন্যটি আসন পুনর্বিন্যাস বিল। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ফরেন কন্ট্রিবিউশন রেগুলেশন সংশোধনী বিল পাস করাতে তেমন কোনো সমস্যা হবে না। তবে এই বিল পাস হলে কিছু মিত্র দল অসন্তুষ্ট হতে পারে, যা আসন পুনর্বিন্যাস বিলের সমর্থনে প্রভাব ফেলতে পারে।
আসন পুনর্বিন্যাস বিল পাস করাতে সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন, যেখানে দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন অপরিহার্য। মোদি সরকার ইতিমধ্যেই একবার এই বিল পাস করাতে ব্যর্থ হয়েছে এবং পুনরায় ব্যর্থতা এড়াতে পাঁচ বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে বিভিন্ন দলের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে। বিজেপি আশা করছে, এবার তারা আসন পুনর্বিন্যাস বিলে সমর্থন পাবে। বিশেষ করে তৃণমূল এবং ডিএমকের মতো আঞ্চলিক দলগুলির সমর্থন আদায়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, ফরেন কন্ট্রিবিউশন রেগুলেশন সংশোধনী বিল নিয়ে দক্ষিণের রাজনৈতিক দলগুলি আপত্তি তুলেছে। ডিএমকে, ওয়াইএসআর কংগ্রেস, এনসিপি (শরদ) সহ বেশ কয়েকটি দল এই বিল নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাদের আশঙ্কা, এই বিলের পক্ষে ভোট দিলে ভোটব্যাঙ্কে প্রভাব পড়তে পারে। এই দলগুলি বিলের কিছু প্রস্তাব নমনীয় করার দাবি জানিয়েছে। এনসিপি (শরদ) বলেছে, সমস্ত দাতাদের সন্দেহ করা উচিত নয়, আর ডিএমকের মতে, এই বিলে সমর্থন করা সম্ভব নয়।
তবে একটি সম্ভাব্য সমাধান হিসেবে, দক্ষিণের দলগুলি সংসদে এফসিআরএ বিলের বিরোধিতা করলেও, তাদের ভোট না পেলেও বিল পাস করাতে অসুবিধা হবে না। এরপর সংবিধান সংশোধনের জন্য এই দলগুলি কেন্দ্রকে সমর্থন দিতে পারে। এই বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন দলের মধ্যে আলোচনা চলছে। সম্ভবত এই কারণেই এফসিআরএ বিলটি চলতি সপ্তাহের পরিবর্তে পরবর্তী সপ্তাহে পেশ করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। যদিও বিরোধীরা ইতিমধ্যেই এই বিলের বিপক্ষে সুর চড়িয়েছে।

















