দুর্গাপুরে নাবালকদের রক্তদান: অভিভাবকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
দুর্গাপুরের একটি ব্লাড ব্যাংক থেকে নাবালকদের রক্ত নেওয়ার অভিযোগ সামনে আসার পর রাজ্য সরকার কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানিয়
দুর্গাপুরের একটি ব্লাড ব্যাংক থেকে নাবালকদের রক্ত নেওয়ার অভিযোগ সামনে আসার পর রাজ্য সরকার কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, নাবালকদের অভিভাবকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তিনি বলেন, "১৫ বছরের বাচ্চাদের রক্তদান হয়েছে, এবার তাদের বাড়ির লোককেও আটক করা হবে।" এর আগে, বিনা অনুমতিতে ভিনরাজ্যে প্লাজমা বিক্রির অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে। রাজ্যে মোট ৭৩টি বেসরকারি ব্লাড ব্যাংকের মধ্যে ১১টির বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ১১টি ব্লাড ব্যাংককে আপাতত রক্তদান শিবির আয়োজন করতে নিষেধ করা হয়েছে। সম্প্রতি পদ্মপুকুরের হেলথ পয়েন্ট ব্লাড ব্যাংকের মালিকের বিরুদ্ধে রক্ত পাচারের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ওই ব্লাড ব্যাংকের দুই কর্তা বিদেশ পালিয়ে গেছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, "ভাসা ভাসা খবর আমিও পেয়েছি, মনে হচ্ছে তারা দেশের বাইরে। কিভাবে তাদের ফেরত আনা যায় তা নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে।" দুর্গাপুরের ঘটনায় নাবালকদের রক্তদানের প্রমাণ মিলেছে, যা আইনত অপরাধ। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, "একটি উপহারের প্রলোভনে বাচ্চার জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিতে পারেন যাঁরা।" এদিকে, পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে ২৪টি ডায়গনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য দপ্তর খুব শিগগিরই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আলোচনা করবে।
















