ছত্তিসগড়ে ভালুকের হামলায় চারজনের মৃত্যু, আতঙ্কিত গ্রামবাসী

ছত্তিসগড়ের কাঙ্কের ও ধামতারি জেলায় পৃথক ঘটনায় ভালুকের হামলায় চার জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় প্রবল আতঙ্কে রয়েছেন জঙ্গল লাগোয়া গ্রামের বাসিন্দারা। বন দপ্তর সূত্
ছত্তিসগড়ের কাঙ্কের ও ধামতারি জেলায় পৃথক ঘটনায় ভালুকের হামলায় চার জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় প্রবল আতঙ্কে রয়েছেন জঙ্গল লাগোয়া গ্রামের বাসিন্দারা। বন দপ্তর সূত্রে খবর, প্রথম ঘটনা ঘটে বুধবার কাঙ্কের জেলার লারগাঁও মারকাটোলায়। স্থানীয় হাইস্কুল ও গার্লস হস্টেলের সামনে ভালুক হামলা চালায়। গোরসে জুরি নামে বছর পঞ্চাশ বয়সি এক মহিলা তাঁর ভাই হালাল খোর জুরি ও দুই শিশুকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। একটি মেয়ে ভালুক তাঁদের উপরে অতর্কিতে হামলা চালায়। সঙ্গের দুই শিশুকে নিরাপদে সরিয়ে দিতে সক্ষম হলেও ভালুক তাঁদের আঁচড়ে-কামড়ে ক্ষতবিক্ষত করে দেয়। তাঁদের চিৎকার শুনে চাষের কাজ ফেলে ছুটে যান তাঁদের বোন খোরিন বাই জুরি। ভালুক তাঁর উপরেও হামলা করে। তিনজনেই মারা যান। কাঙ্কেরের ডিএফও রৌনক গোয়াল জানান, মেয়ে ভালুকটির সন্তান দিন কয়েক আগে লিভারের সংক্রমণে মারা গিয়েছে। সেই কারণেই সে হিংস্র হয়েছিল। বুধবারই কাঙ্কেরের নরহরপুর রেঞ্জের সিহারিনালার বাসিন্দা দেববালি রামও ভালুকের হামলায় মারা যান। অন্যদিকে, ধামতারি জেলার সিংপুর রেঞ্জে জঙ্গল থেকে ব্যাঙের ছাতা তুলে গিয়ে ভালুকের মুখোমুখি পড়ে যান দুই গ্রামবাসী। ভালুকের হামলায় তাঁরা গুরুতর জখম হন। বন দপ্তরের অফিসাররা জানিয়েছেন, মৃতদের পরিবার পিছু অবিলম্বে ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্য দেওয়া হচ্ছে। পরে পরিবার পিছু ৬ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। যে সব এলাকায় ভালুক হামলা করেছে, সেখানকার বাসিন্দাদের একলা জঙ্গলে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।












