মহব্বতের শরবত থেকে রূহ আফজা: সামরান হুদার স্মৃতির ঝুলি

কলকাতার জাকারিয়া স্ট্রিটের শরবতের দোকানগুলোতে এখনো মহব্বতের শরবতের নাম শোনা যায়। এই শরবত দেখে সামরান হুদার মনে পড়ে যায় তার ছোটবেলার কথা, যখন বিয়ে বা অন্যান্য অন
কলকাতার জাকারিয়া স্ট্রিটের শরবতের দোকানগুলোতে এখনো মহব্বতের শরবতের নাম শোনা যায়। এই শরবত দেখে সামরান হুদার মনে পড়ে যায় তার ছোটবেলার কথা, যখন বিয়ে বা অন্যান্য অনুষ্ঠানে দুধের শরবত পরিবেশন করা হতো। এই শরবত তৈরি হতো দুধ, গোলাপজল এবং চিনি দিয়ে, আর গরমকালে তাতে বরফকলের বরফ যোগ করা হতো। বনেদি পরিবারে নতুন বউকে এই শরবত দিয়েই আপ্যায়ন করা হতো, যেখানে গোলাপের পাপড়ি দিয়ে সাজানো থাকতো।
শরবতের প্রসঙ্গে প্যারামাউন্ট বা প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের ফর্মুলার বাইরে রূহ আফজার কথাও আসে। ১৯০৬ সালে পাকিস্তানের হাকিম আব্দুল হামিদ এই ফর্মুলা তৈরি করেন। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পরেও হামদর্দ ওয়াকিফ ভারত, পূর্ব পাকিস্তান এবং পশ্চিম পাকিস্তানে সমানভাবে ব্যবসা চালিয়ে যায়। তিন দেশের এমন সহাবস্থান ক্রিকেটেও দেখা যায়নি। ১৯৮৩ সালে এশিয়া কাপ শুরু হলেও বিশ্বকাপ ক্রিকেট শুরু হয় ১৯৭৫ সালে, আর বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলে।
সামরান হুদার স্মৃতিতে নূরজাহান আপার কথা আসে, যিনি আরবি পড়াতেন এবং আত্মীয়তার সুবাদে তার বাড়িতে ঈদে-চাঁদে নিমন্ত্রণ পেতেন। সেখানে সবার আগে পরিবেশন করা হতো আলতা রঙের রূহ আফজা শরবত। এছাড়া, লিন্ডসে স্ট্রিটের র্যালিজে বাচ্চাদের নিয়ে বরফের গোলা খেতে যেতেন, যেখানে নানা রঙের শরবতের সিরাপ দিয়ে তৈরি হতো গরমে আরামদায়ক শরবত।













