ভারত-মায়ানমার সীমান্তে জমি বিনিময়ের সম্ভাবনা নিয়ে কেন্দ্রের অবস্থান স্পষ্ট

ভারত ও মায়ানমারের মধ্যে সীমান্ত চিহ্নিতকরণ নিয়ে চলমান আলোচনার মধ্যে জমি বিনিময়ের সম্ভাবনা নিয়ে কেন্দ্র সরকার তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। বিদেশ মন্ত্রকের মুখ
ভারত ও মায়ানমারের মধ্যে সীমান্ত চিহ্নিতকরণ নিয়ে চলমান আলোচনার মধ্যে জমি বিনিময়ের সম্ভাবনা নিয়ে কেন্দ্র সরকার তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন যে, দুই দেশের সীমান্তের কিছু অংশের চূড়ান্ত চিহ্নিতকরণ এখনও বাকি রয়েছে এবং এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। তবে জমি বিনিময়ের বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়নি।
বুধবার সাপ্তাহিক সাংবাদিক বৈঠকে রণধীর জয়সওয়ালকে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত জমি বিনিময়ের প্রস্তাব নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সীমান্তের কিছু অংশ নিয়ে আলোচনা চলছে, তবে জমি বিনিময় নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি। সংবাদমাধ্যমে যে সম্ভাব্য ল্যান্ড বাউন্ডারি অ্যাগ্রিমেন্ট-এর কথা বলা হচ্ছে, তা নিয়ে সরকার এখনও নিশ্চিত কিছু জানায়নি।
সম্প্রতি মার্কিন পত্রিকা দ্য ডিপ্লোম্যাট-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে, ভারত সরকার মণিপুরের আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন দীর্ঘদিনের সীমানা চিহ্নিতকরণ কাজ শেষ করতে একটি নির্দিষ্ট প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, সীমান্তের কিছু অংশে দীর্ঘদিন ধরেই সীমানা নির্ধারণের সমস্যা রয়েছে, বিশেষ করে মণিপুরের চান্দেল জেলা সংলগ্ন এলাকায়। প্রায় ১.৪৪ বর্গমাইল জমি বিনিময় করলে এই সমস্যার সমাধান হতে পারে বলে অভ্যন্তরীণভাবে আলোচনা চলছে।
ভারত ও মায়ানমারের মধ্যে ১,৬৪৩ কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে, যা চারটি উত্তর-পূর্বের রাজ্য অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ড, মণিপুর এবং মিজোরামজুড়ে বিস্তৃত। এর মধ্যে মণিপুরের অংশটি নিরাপত্তার দিক থেকে অত্যন্ত স্পর্শকাতর বলে মনে করা হয়। এই দুর্গম ও পাহাড়ি সীমান্তের একটি বড় অংশ এখনও উন্মুক্ত ও ঘন জঙ্গলে আবৃত।










