ছাত্রবিক্ষোভে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সতর্কবার্তা
২০ জুলাই সংসদ অভিযানে ছাত্র-ছাত্রীদের মিছিলে পুলিশের অতিরিক্ত তৎপরতার অভিযোগ উঠেছে। একইসঙ্গে, পুলিশ বাহিনীর ওপর হামলার অভিযোগও উঠেছে। এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে মা
২০ জুলাই সংসদ অভিযানে ছাত্র-ছাত্রীদের মিছিলে পুলিশের অতিরিক্ত তৎপরতার অভিযোগ উঠেছে। একইসঙ্গে, পুলিশ বাহিনীর ওপর হামলার অভিযোগও উঠেছে। এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেছেন মণীশকুমার সোলাঙ্কি। তিনি দাবি করেছেন, অশান্তির ঘটনায় অভিযানের আয়োজকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হোক এবং বিক্ষোভকারী ছাত্রদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা যেন প্রত্যাহার না করা হয়। তাঁর মতে, এমন কিছু হলে তা ভবিষ্যতের জন্য খারাপ দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।
মণীশকুমার সোলাঙ্কি বলেন, এখন জেন-জি আন্দোলন করছে, ভবিষ্যতে জেনারেশন আলফা, বিটা, ডেলটা আসবে। সুপ্রিম কোর্ট তাঁর এই মামলা শুনতে রাজি হয়েছে এবং ছাত্রবিক্ষোভ সংক্রান্ত অন্য মামলার সঙ্গে এই মামলাও শুনবে। উল্লেখযোগ্যভাবে, আন্দোলনকারীদের একাংশের বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর পাথর ছোঁড়ার অভিযোগ উঠেছে। এই প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট মন্তব্য করেছে যে, বিপথে চালিত হয়ে কেউ পাথর ছুঁড়লেও তরুণদের কথা শোনা উচিত। প্রয়োজনে তাঁদের শান্ত করে পরামর্শ দেওয়া উচিত।
শীর্ষ আদালত বলেছে, ছাত্রবিক্ষোভের মতো পরিস্থিতি সামাল দিতে বাহিনীকে আরও সংযমী হতে হবে। রাষ্ট্রের ক্ষমতা প্রদর্শন করতে গিয়ে যদি প্রতিবাদী যুবশক্তির ওপর বলপ্রয়োগ করতে হয়, তাহলে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যেতে পারে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি ভি মোহনের বেঞ্চ মন্তব্য করেছে যে, আন্দোলনকারীরা তরুণ, তাঁদের কাউন্সেলিং করা দরকার। রাষ্ট্রের শক্তি দেখাতে তাঁদের ওপর বলপ্রয়োগ করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
প্রধান বিচারপতি বলেছেন, পুলিশকে সংযমী হতে হবে এবং নজর রাখতে হবে যেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায়। সবচেয়ে ভালো উপায় হল, তাঁদের কথা শুনুন এবং প্রতিবাদের কারণটা বুঝুন। তবে একইসঙ্গে প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, শেষ পর্যন্ত বিক্ষোভ কীভাবে সামলাতে হবে, সেই সিদ্ধান্ত বাহিনীকেই নিতে হবে এবং সেই দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা তাদের আছে।

















