শালবনীর জমি কেলেঙ্কারিতে সিআইডির তদন্ত, অভিষেকের পিএ সুমিত রায় পলাতক

শালবনীতে জমি কেলেঙ্কারির অভিযোগে পিএ সুমিত রায়কে খুঁজতে কাকভোরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে হাজির হয়েছিল পুলিশ। সেদিন সুমিতকে পাওয়া যায়নি এবং এরপর থেকেই তিন
শালবনীতে জমি কেলেঙ্কারির অভিযোগে পিএ সুমিত রায়কে খুঁজতে কাকভোরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে হাজির হয়েছিল পুলিশ। সেদিন সুমিতকে পাওয়া যায়নি এবং এরপর থেকেই তিনি বেপাত্তা। শালবনীতে জমি কেলেঙ্কারির অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর পুলিশ তাঁর খোঁজ শুরু করে। অভিযোগকারী শেখ ইমরান কেলেঙ্কারির তথ্য প্রকাশ করেছেন, কীভাবে সুমিত রায়সহ বেশ কয়েকজন জমি থেকে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে উঠেছিলেন।
শালবনির জমি কেলেঙ্কারির মামলায় ইতিমধ্যে গ্রেফতার হয়েছেন মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরা। তদন্তে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ও উঠে এসেছে। সিআইডি তদন্তভার গ্রহণের পর সুমিত রায়ের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে এবং তাঁর খোঁজে বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালাচ্ছে সিআইডির আধিকারিকরা।
মামলার মূল অভিযোগকারী শেখ ইমরান প্রথমবার মুখ খুলেছেন। তিনি দাবি করেছেন, পূর্বতন সরকারের আমলে তাঁকে এই মামলার থেকে সরে আসার জন্য বার্তা দেওয়া হয়েছিল। তিনি একটি নথি প্রকাশ্যে এনে জমি দুর্নীতির বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন।
নথিতে দেখা যাচ্ছে, যজ্ঞেশ্বরপুর মৌজার একটি জমি প্রথমে ছিল সুজয় হাজরার ঘনিষ্ঠ স্থানীয় ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন খানের নামে। পরে অভিযোগ ওঠে, ওই জমি আসলে খাস জমি, কারও ব্যক্তিগত জমি নয়। বর্তমানে সেই জমির উপরে গড়ে উঠেছে বিশাল পেট্রোল পাম্প ও হোটেল। রেকর্ড অনুযায়ী, জমির মালিক বর্তমানে রাজ্য সরকার, কিন্তু পেট্রোল পাম্প ও হোটেলের মালিক খাতায় কলমে সুজয় হাজরার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন খানের স্ত্রী মালতী বিবি। অভিযোগ, সরকারি জমিতে ব্যবসা চলছে অথচ কোনো নোটিসও দেওয়া হয়নি।
শেখ ইমরানের দাবি, জমি জালিয়াতির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য তাঁকে চাপ দেওয়া হয়েছিল। জমি জালিয়াতির মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন শেখ ইমরান। এরপরই সিআইডি তদন্তভার গ্রহণ করে।











