ভারত বিরোধী এজেন্ডা নিয়ে মেটার স্বীকারোক্তি, ক্ষমা চাইলেন জুকারবার্গ
মেটা সংস্থা ভারত বিরোধী এজেন্ডা ছড়ানোর জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ গ্রহণের কথা স্বীকার করেছে। প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও ডিলিট করার পর ক্ষমা প্রার্থনা করে মার্ক জুকারবার্গ
মেটা সংস্থা ভারত বিরোধী এজেন্ডা ছড়ানোর জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ গ্রহণের কথা স্বীকার করেছে। প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও ডিলিট করার পর ক্ষমা প্রার্থনা করে মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা জানায়, ভারতে বিশেষ কিছু কনটেন্ট ছড়ানোর জন্য তাদের সংস্থাকে টাকা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় কেন্দ্রের কৃষক আন্দোলন, যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ এবং ই-২০ পেট্রলের মতো ইস্যু নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। ২৩ জুলাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জেন-জি পড়ুয়াদের উদ্দেশ্যে একটি সেলফি ভিডিও বানান, যা ফেসবুক থেকে গায়েব হয়ে যায়, ফলে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। কেন্দ্র মেটাকে তিনদিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল, তবে এর আগেই সংস্থা ক্ষমা চেয়ে নেয়। মেটার তরফে প্রযুক্তি-প্রক্রিয়ার ত্রুটির কথা বলা হয়েছে। এছাড়া, চাইল্ড পর্নের মতো আপত্তিকর কনটেন্ট আপলোডের দায়ও স্বীকার করেছে মেটা। মেটার শীর্ষকর্তারা জানান, নির্দিষ্ট ধরনের কনটেন্টের প্রচার বাড়ানোর জন্য বিপুল অর্থ দেওয়া হয়েছিল। এই স্বীকারোক্তি কেন্দ্রের চিন্তা বাড়াচ্ছে। ভারতে কোটি কোটি মানুষ মেটা, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। বিশেষ কোনও মতাদর্শের প্রচার চালিয়ে যুবসমাজের মগজ ধোলাই করা হচ্ছে। সোশাল মিডিয়ায় ই-২০ বিদ্রোহের প্রতিবাদ দেখা গেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতীন গড়কড়ির ডিপ ফেক ভিডিও ভাইরাল হয়। কৃষকদের খেপিয়ে তুলতে ভুয়ো প্রচার চালানো হয়। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের পেছনে সোশাল মিডিয়ার ভূমিকা ছিল। কেন্দ্র ইতিমধ্যেই সোশাল মিডিয়ায় দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের উপর লাগাম টানতে তৎপর হয়েছে। বুধবার মেটার প্রতিনিধিদল তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। বৈঠকে শিশু-যৌন নিপীড়নমূলক বিষয়বস্তু রোধে মেটার ব্যর্থতা নিয়ে আলোচনা হয়। তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের সচিব এস কৃষ্ণানের সঙ্গে বৈঠক করেন মেটার গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স অফিসার জোয়েল কাপলান।






