কাকলি-শতাব্দীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা, বিজেপির পরিকল্পনা কী?

কলকাতা: এনডিএ বৈঠকে প্রথম সারিতে বসার সুযোগ পেলেও কাকলি ঘোষ দস্তিদার ও শতাব্দী রায়ের মতো এনসিপিআই সাংসদদের ভবিষ্যৎ এখনও অনিশ্চিত। লোকসভার স্পিকারের স্বীকৃতি না
কলকাতা: এনডিএ বৈঠকে প্রথম সারিতে বসার সুযোগ পেলেও কাকলি ঘোষ দস্তিদার ও শতাব্দী রায়ের মতো এনসিপিআই সাংসদদের ভবিষ্যৎ এখনও অনিশ্চিত। লোকসভার স্পিকারের স্বীকৃতি না মেলায় তাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সূত্রের খবর, তৃণমূলের প্রতীক সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান না হলে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া (NCPI)-র ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব এই বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন।
মঙ্গলবার শুভেন্দু অধিকারী ও ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে এনসিপিআই সাংসদদের দু'দফা বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এনসিপিআই-এর স্বীকৃতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন করেছিলেন, স্বীকৃতি কবে মিলবে? সুদীপের দাবি, ভূপেন্দ্র যাদব বলেছেন, তৃণমূলের প্রতীক সংক্রান্ত সমস্যা মিটলেই বিষয়টা সহজ হয়ে যাবে।
এনসিপিআই-এর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি ঋতব্রত-শিবিরের হাতে জোড়াফুলের অধিকার গেলে, ওই তৃণমূলেই মিশে যেতে পারে এনসিপিআই? কালীঘাটপন্থী তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় বলেন, এনসিপিআই বলে আদৌ কোনও পার্টি আছে? মমতার পিছন দিক থেকে ছুরি মেরে যারা চলে গিয়েছে, তারা এবার বুঝুক কত ধানে কত চাল।
২০ জন সাংসদ এনসিপিআই-এর সঙ্গে মিশে গিয়েছিলেন। জল্পনা তৈরি হয়, তাঁরা এনডিএ-র সমর্থক হয়ে থাকবেন নাকি বিজেপিতে যোগ দেবেন? সে ক্ষেত্রে আটকে যাচ্ছেন তিন সংখ্যালঘু সাংসদ আবু তাহের, খলিলুর রহমান, ইউসুফ পাঠান। তাঁদের দাবি, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়। এমনকী এনডিএ-কে সমর্থন করার ক্ষেত্রেও তাঁদের বাধ্যবাধকতা আছে। সে ক্ষেত্রে তিনজন বাদ পড়লে সংখ্যাটা ১৭-তে নেমে আসতে পারে। ফলে, দুই-তৃতীয়াংশ হবে না, দলত্যাগ-বিরোধী আইনের ফাঁসে পড়ে যেতে পারেন তাঁরা। এ অবস্থায় ঋতব্রত-শিবিরই কি কাকলিদের একমাত্র পথ? সেই প্রশ্নই সামনে আসছে।






