কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জয়ী অস্মিতা দে'র পুরস্কার নিয়ে বিতর্ক

কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জিতে দেশের প্রথম জুডোকা হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন অস্মিতা দে। তবে তাঁর এই সাফল্যের পরেও পুরস্কার পাওয়া নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। জাতীয় স্তরের
কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জিতে দেশের প্রথম জুডোকা হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন অস্মিতা দে। তবে তাঁর এই সাফল্যের পরেও পুরস্কার পাওয়া নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় তিনি উত্তরপ্রদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেও, আদতে তিনি ত্রিপুরার বাসিন্দা। জন্ম দক্ষিণ ত্রিপুরার বেলোনিয়ায়, যেখানে তাঁর বাবা গণেশ দে ছিলেন সাইকেল মেকানিক। দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বড় হয়েছেন অস্মিতা। অর্থের অভাবে ত্রিপুরা ছেড়ে উত্তরপ্রদেশে পাড়ি দেন এবং সেখানে পুলিশে চাকরি পান।
উত্তরপ্রদেশে যাওয়ার পর অস্মিতা ক্রীড়াক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে একাধিক স্বর্ণপদক জেতেন তিনি। কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জেতার জন্য উত্তরপ্রদেশ সরকার থেকে দেড় কোটি টাকা পুরস্কার পাওয়ার কথা তাঁর। তবে এই পুরস্কার পাওয়ার জন্য কিছু শর্ত রয়েছে। শর্ত অনুযায়ী, উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা হতে হবে অথবা দুই বছরের বেশি সময় ধরে সেরাজ্যের কোনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করতে হবে। এই শর্ত অনুযায়ী অস্মিতা পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য নন।
তবে তৃতীয় শর্ত অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক স্তরে উত্তরপ্রদেশের প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নিতে হবে, যা অস্মিতা পূরণ করেছেন। তাই যোগী সরকারের থেকে পুরস্কার পেতে কোনও বাধা নেই। তবুও কিছু মহল থেকে তাঁকে বহিরাগত তকমা দিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের আরেক অ্যাথলিট গুলবীর সিংও ১.২৫ কোটি টাকা পুরস্কার পাবেন। সদ্যসমাপ্ত কমনওয়েলথ গেমসে ১০ হাজার মিটার দৌড়ে রুপো এবং ৫ হাজার মিটার দৌড়ে ব্রোঞ্জ জিতেছেন তিনি। এছাড়াও কমনওয়েলথ গেমসে অংশ নেওয়া আরও ৭ অ্যাথলিটকেও পুরস্কৃত করা হবে।






